মঠবাড়িয়া, (পিরোজপুর) : পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় পরকীয়া সম্পর্কে ধামাচাপা দিতে ছাত্রদল নেতা ইলিয়াস এর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা দেওয়ার অভিযোগ।
ইলিয়াসের মা করে দাবি করেন, ইলিয়াস ও ভুক্তভোগী সুমি পৌরসভার মনির অঙ্গন শপিং কমপ্লেক্সে একই ভবনের ভাড়াটিয়া। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সুমি বেগমের স্বামীর অনুপস্থিতিতে ইমন নামে এক ব্যক্তিকে সুমির বাসায় রাতযাপন করতে দেখে তার সন্দেহ হয়। ইমনের মোবাইল ফোনে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও দেখতে পান বলে দাবি করেন এবং ইলিয়াস বিষয়টি নিয়ে সুমিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে সুমি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন পুলিশ আসার আগেই ইলিয়াস সুমির বাসা থেকে চলে যান। অন্যদিকে সুমি দাবী করেন ইমন তার পূর্ব পরিচিত তাকে ইলিয়াস ধরে নিয়ে যায়।
তবে সরজমিনে অনুসন্ধান করে জানাযায়, সুমি ও ইমন তাদের পরকীয়া সম্পর্ক ধামাচাপা দিতে এই মামলা। সুমি উপজেলার বেতমোর ইউনিয়নের প্রবাসী রাজুর স্ত্রীর অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা ইলিয়াসকে আটক করে গত ৯ জুলাই আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
এদিকে, ইমন সাংবাদিকদের মুঠোফোনে স্বীকার করেন যে তার বাড়ি টাংগাইলে তিনি মঠবাড়িয়ায় চাকরি করার জন্য আসে এবং সুমির পরিবারের সাথে পূর্ব পরিচিত থাকায় সুমির বাসায় রাতযাপন করেছিলেন এবং তাদের কিছু খারাপ ছবি মোবাইলে তুলছিলো। সুমির কাছে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের জানান, ইমন তার আপন খালাতো ভাই হয় অথচ ইমন জানান তারা কোনো আত্বিয় হয় না এমনই পরিচিত। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মঠবাড়িয়া থানার সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ রবিউল ইসলাম জানান, গ্রেফতারকৃত ইলিয়াসকে বুধবার দুপুরেই আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।